শিরোনাম
চমৎকার ডেস্ক | ০৩:৫৭ পিএম, ২০২৬-০৯-২৬
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলাকে ডেঙ্গুর হটস্পটমুক্ত করতে সাত দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে সীতাকুণ্ডে কোনো ডেঙ্গু হটস্পট থাকবে না—এমন লক্ষ্য নিয়েই এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
শনিবার সীতাকুণ্ড পৌরসভা এলাকায় সচেতনতামূলক র্যালি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। র্যালিটি পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে কলেজ রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে তিনি ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম এবং ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন অভিযানে অংশ নেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, “সীতাকুণ্ডকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে বিবেচনা করে আমরা সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা চাই, আর কেউ যেন ডেঙ্গুতে প্রাণ না হারান। সাত দিন পর যদি এখানে কোনো হটস্পট না থাকে, তাহলে আমাদের এই অভিযান সফল হবে।”
তিনি জানান, সীতাকুণ্ডে এ পর্যন্ত ৫১৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তের সংখ্যা কমিয়ে আনাই এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাসাবাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নিয়মিত ফগিং, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জমে থাকা পানি অপসারণের বিকল্প নেই। পাশাপাশি নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিল্পসমৃদ্ধ সীতাকুণ্ডে আধুনিক ও পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম জানান, সাত দিনব্যাপী এই কর্মসূচি উপজেলার সব ইউনিয়ন ও সীতাকুণ্ড পৌরসভায় একযোগে পরিচালিত হবে। বিশেষভাবে চিহ্নিত সাতটি ডেঙ্গু হটস্পট—ভাটিয়ারী, সোনাইছড়ি, জেলেপাড়া, বাড়বকুণ্ড, ফুলতলা, বার আউলিয়া এবং সীতাকুণ্ড কলেজ রোড এলাকায় বাড়তি নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও জানান, কার্যক্রম সফল করতে ১৬টি নতুন ফগার মেশিন এবং প্রয়োজনীয় কীটনাশক সংগ্রহ করা হয়েছে। সাত দিনের বিশেষ কর্মসূচি শেষ হলেও পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাসাবাড়ি ও ড্রেনে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানান। বিশেষ করে জাহাজভাঙা শিল্প এলাকার স্ক্র্যাপ ধাতুতে বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
এ সময় উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামেà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামের রাউজানে একটি অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১২ জন পুলিশ সদস...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬ - © 2026 www.chomotkartv.com | Developed By Biplab Uddin