শিরোনাম
ডেস্ক বিশ্লেষণ | ০৪:১৩ পিএম, ২০২৬-০৯-২৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস করা বা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সমাজের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ: অপতথ্য রোধে তথ্য অধিকারের ভূমিকা’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন।
জেলা প্রশাসক বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই তার সত্যতা যাচাই না করেই তা বিশ্বাস করেন। বিশেষ করে নেতিবাচক বা চাঞ্চল্যকর তথ্য দ্রুত মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কিন্তু তথ্যটি ভুল হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, পরিবার কিংবা প্রতিষ্ঠান সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিক্রিয়া দিতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে। তবে তথ্যটি কতটা সত্য, এর প্রেক্ষাপট কী এবং ওই প্রতিক্রিয়ার ফলে কারও ক্ষতি হতে পারে কি না—এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে নেওয়া সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া নতুন সংকট ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে। তাই তথ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন।
বক্তব্যে তিনি ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রীয় ও গোষ্ঠীগত স্বার্থে তথ্য ব্যবহারের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, তথ্য যেমন সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তেমনি অপতথ্য বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য বড় ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে। ডিজিটাল যুগে তাই তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলাও জরুরি। সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে কোনো কিছু গোপন করে রাখার সুযোগ দিন দিন কমে আসছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও স্বচ্ছতা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট গোপনীয় তথ্য আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী সংরক্ষণ করতে হবে, তবে জনগণের অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্যের প্রবেশাধিকারও নিশ্চিত করতে হবে। একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সমাজ গঠনে সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক—উভয়েরই দায়িত্ব রয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পক্ষপাত ও পছন্দ-অপছন্দের প্রভাব কমাতে সহায়তা করে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নজরদারিতে প্রযুক্তির ব্যবহার এর উদাহরণ উল্লেখ করে তিনি জানান, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে এআইনির্ভর ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তবে প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার পরিবর্তে মানবিক মূল্যবোধ, বিবেক ও দায়িত্ববোধকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একে অপরকে দোষারোপ না করে মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করতে সবাইকে সচেতন ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক।
আলোচনা সভায় সরকারি কর্মকর্তা, তথ্য অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
চমৎকার ডেস্ক : শ্রমিক হত্যা, তেল-গ্যাসের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি, দেশব্যাপী অরাজকতা, শ্রমিকশক্তির নেতাদের ওপর বর্ব...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার যুবদল কর্মী আবু ইউসুফ প্রকাশ জীবন হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত জিল্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : আবারও বাড়ানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বা রান্নার গ্যাসের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী ৪...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ককটেল ব...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : উৎসবমুখর, আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনেà...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬ - © 2026 www.chomotkartv.com | Developed By Biplab Uddin