শিরোনাম
চমৎকার ডেস্ক | ০৪:৫৬ পিএম, ২০২৬-০৯-৩০
ইসরায়েলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী বিমান মাঝআকাশে জরুরি সংকেত পাঠানোর পর সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। প্রাথমিকভাবে বিমানটি ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও পরে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটি ছিনতাই নয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইটটি। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটি প্রথমে একটি জরুরি সংকেত পাঠায়। কয়েক মিনিট পর এমন আরেকটি সংকেত পাঠানো হয়, যা সম্ভাব্য অবৈধ হস্তক্ষেপ বা ছিনতাইয়ের ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এরপর বিমানটি উচ্চতা কমিয়ে গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের দিকে চলে যায়। পরে তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে বিমানটি।
ঘটনার কারণ সম্পর্কে ইসরায়েলি এক কর্মকর্তার বরাতে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিমানের ককপিটে পাইলট ও কো-পাইলটের মধ্যে শারীরিক হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই জরুরি সংকেত পাঠানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে ফ্লাইদুবাই কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে শুধু একটি ‘ইনসিডেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিমানটি নিরাপদে তাবুকে অবতরণ করেছে এবং সব যাত্রী নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে সম্ভাব্য ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সতর্ক হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান আকাশে পাঠানো হয় এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে জরুরি পরামর্শ করা হয়। পরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, ঘটনাটি ছিনতাই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বিমানটিতে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। তাবুকে অবতরণের পর যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং ককপিটে পাইলটদের মধ্যে কী ঘটেছিল, তা এখনো তদন্তাধীন। পাইলটদের হাতাহাতির বিষয়টি কর্মকর্তাদের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত হয়েছে; তদন্তের পূর্ণাঙ্গ ফল পাওয়া গেলে ঘটনার কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬ - © 2026 www.chomotkartv.com | Developed By Biplab Uddin