শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬:০১ পিএম, ২০২৬-১০-০১
চট্টগ্রামের রাউজানে একটি অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁর হেফাজত ও দেখানো স্থান থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে রাউজান থানাধীন ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের ভাষ্য, এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একটি চক্রের বিরুদ্ধে তথ্য পাওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন বলে দাবি পুলিশের। পরে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।
পুলিশ জানিয়েছে, এ সময় দিলদার হোসেন (৩৭) নামে একজন গুলিবিদ্ধ হন এবং তাঁকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থলে থাকা আরও কয়েকজন সেখান থেকে পালিয়ে যান।
১২ পুলিশ সদস্য আহত
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গুলিবিনিময়ের ঘটনায় এসআই মো. জান্নাতুন নাঈম রাজন, এসআই মো. খোরশেদ আলম, এসআই মো. বায়েজিদ মৃধা, এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মো. জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস, এএসআই মো. রবিউল হোসেনসহ মোট ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।
অভিযান শেষে গ্রেপ্তার ব্যক্তির হেফাজত এবং তাঁর দেখানো স্থান থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে— ১টি ডিবিবিএল (দোনলা বন্দুক), ১টি এসবিবিএল (একনলা কাটা বন্দুক), ১১৯ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ৬ রাউন্ড সীসা কার্তুজ, ৪টি রামদা, ২টি কটি, ২টি গুলি রাখার প্রসেস উদ্ধার হওয়া এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ কোন ঘটনায় ব্যবহৃত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম এবং মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বসের নেতৃত্বে একটি চক্র বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি ও আদায় করে আসছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ওই ব্যক্তিরা জনৈক আবু বক্কর চৌধুরীর বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করেছেন—এমন অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি যাচাই করা হয়। পরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএমের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তবে চাঁদাবাজির এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ২৯ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে কদলপুর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে তিনজনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, দুই রাউন্ড সীসা কার্তুজ, একটি রামদা ও একটি ছোরা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রাউজান থানা পুলিশ জানিয়েছে, অস্ত্রধারী ব্যক্তি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামেà...বিস্তারিত
চমৎকার ডেস্ক : চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলাকে ডেঙ্গুর হটস্পটমুক্ত করতে সাত দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬ - © 2026 www.chomotkartv.com | Developed By Biplab Uddin