শিরোনাম
চমৎকার ডেস্ক | ০১:১৭ পিএম, ২০২৬-১০-০৩
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে রাজধানী ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক সাড়াঁশি অভিযান চালিয়ে কয়েক হাজার সন্দেহভাজন অপরাধী ও কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অপরাধের সাথে সরাসরি যুক্ত ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক বা কেবল আড্ডারত কিশোরদের মুচলেকার মাধ্যমে পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার চিরুনি অভিযানে ৪২৮ জন গ্রেপ্তার। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) তাদের নিয়মিত অপরাধ দমন ও কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে ৪২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টাতেও ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল আরও ৪৩৯ জনকে।
ডিএমপি কমিশনার স্পষ্ট জানিয়েছেন, ঢাকার মোহাম্মদপুর,মিরপুর ও বছিলার মতো ক্রাইম জোনগুলোতে ‘কিশোর গ্যাং’ শব্দের কোনো অস্তিত্ব রাখা হবে না এবং তালিকা ধরে প্রতিটি আস্তানায় অভিযান চালানো হচ্ছে।
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে মেগা অ্যাকশন: ২০৩৫ জন আটক
ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বড় ও রেকর্ড সৃষ্টিকারী অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে কুমিল্লায়। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর জেলা পুলিশ কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, জেলার ১৮টি থানা এলাকায় মোট ৫ ধাপের অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ ধাপে এক রাতেই কুমিল্লার আলোচিত কিশোর গ্যাং লিডার ইমরান হোসেন ওরফে রতনসহ ৩৬৩ জনকে আটক করেছে ডিবি ও পুলিশ।
কুমিল্লা পুলিশ সুত্রের তথ্য:
মোট আটক: ২,০৩৫ জন (৫ ধাপে)
মুচলেকায় মুক্তি: আগের চার ধাপে আটক ১,১৩০ জনকে যাচাই-বাছাই শেষে কঠোর মুচলেকা দিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের কঠোর বার্তা: কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানিয়েছেন, কোনো গ্যাং সদস্যকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে বা তদবির করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম সরাসরি গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।
চট্টগ্রাম ও অন্যান্য জেলার তৎপরতা
বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামেও পুলিশের তালিকাভুক্ত অন্তত ৪৫টি ক্রাইম জোনে সক্রিয় ১১টি কিশোর গ্যাংয়ের (যেমন—এমবিএস, খতিবের হাট, ফাইভ স্টার, সেভেন স্টার) বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম ও উপকূলীয় জেলা চাঁদপুর ও ফেনীতেও বখাটে ও কিশোর গ্যাং সন্দেহে কয়েক শত উঠতি বয়সী যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ও পরে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
পরবর্তী পরিকল্পনা: ‘গডফাদার ও বড় ভাইদের’ দমন
পুলিশ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু মাঠের কিশোরদের গ্রেপ্তার করে এই কালচার বন্ধ করা যাবে না। অপরাধের নেপথ্যে থেকে যারা এই কিশোরদের অস্ত্র, টাকা বা মোটরবাইকের জোগান দিচ্ছে, সেইসব রাজনৈতিক আশ্রয়দাতা ও তথাকথিত ‘বড় ভাইদের’ তালিকা তৈরি করছে গোয়েন্দা সংস্থা।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের আশ্রয়দাতাদের পরিচয় যাই হোক না কেন, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কিশোর অপরাধের মূল উপড়ে ফেলা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (ইউএসটিসি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মাà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংযুক্ত আà...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বহুল আলোচিত দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংà¦...বিস্তারিত
ডেস্ক বিশ্লেষণ : একজন ব্যক্তি আগে বিয়ে করেছেন কি না, করলে কতটি বিয়ে করেছেন—নতুন করে বিয়ের উদ্যোগ নেওয়ার আগেই কি তা ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬ - © 2026 www.chomotkartv.com | Developed By Biplab Uddin