শিরোনাম
চমৎকার ডেস্ক | ০৪:৫৮ পিএম, ২০২৬-১০-০৬
মুন্সিগঞ্জে বিয়ে পড়ানোর কথা বলে এক কাজীকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে আটকে রেখে ২ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজীব হোসেন অপু ও তার সহযোগী স্বপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তাদের কাছ থেকে চাঁদার ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার কাটাখালী এলাকায় নিজের বাসায় ছিলেন কাজী মো. হাবিবুর রহমান। এ সময় রাজীব হোসেন অপু, স্বপনসহ কয়েকজন মোটরসাইকেলে করে তার বাসায় যান। বিয়ে পড়ানোর কথা বলে তাকে প্রথমে কাজী অফিসে এবং পরে মুক্তারপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মুক্তারপুরের একটি কক্ষে নিয়ে কাজী হাবিবুর রহমানকে আটকে রাখা হয়। সেখানে তার কাছে ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে প্রাণনাশ এবং কাজীর লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে কাজী হাবিবুর রহমান মুন্সিগঞ্জের অগ্রণী ব্যাংক থেকে নিজের হিসাবের ২ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার স্ত্রী নাসিমা বেগমের উপস্থিতিতে ওই টাকা অভিযুক্তদের দেওয়া হয়।
ঘটনার পেছনে একটি তালাক নিবন্ধনের বিষয়ও উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত স্বপনের স্ত্রী ইতি গত ১ অক্টোবর কাজী হাবিবুর রহমানের অফিসে স্বপনকে তালাক দেওয়ার বিষয়টি নিবন্ধন করেছিলেন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরে টাকা দাবি করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এ ঘটনায় কাজী হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় রাজীব হোসেন অপু, স্বপনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ রাজীব ও স্বপনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা উদ্ধারের কথা জানায়। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
রাজীব হোসেন অপু মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬ - © 2026 www.chomotkartv.com | Developed By Biplab Uddin